পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছড়া:- এপার—ওপার গঙ্গা।

ছড়া:- এপার—ওপার গঙ্গা। লেখক:- সোহন ঘোষ।         ( Sohan Ghosh ) এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 31 August 2025 । এপার—ওপার গঙ্গা, মাঝখানে ভাসে নৌকা। নৌকায় বসে মাঝি, গঙ্গা দিচ্ছে পাড়ি। এপারের এই গঙ্গা ঘাটে, লোকেরা নাইতে নেমেছে। ওপারের ওই গঙ্গা ঘাটে, টিয়ের ঝাঁক নেমেছে। গাছে বসে চড়ুই, গাইছে, সুমধুর গান। গঙ্গায় লাফিয়ে রুই, খেলছে , ঢেউয়ের টান।  

ছড়া:- মাছের বিয়ে।

ছড়া:- মাছের বিয়ে। লেখক:- সোহন ঘোষ‌।         ( Sohan Ghosh )   এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত  হয়:- 26 August 2025 আগডুম, বাগডুম,           ডুমডুমাডুম ডুম! জলের তলায় বাজনা বাজে,            কিসের এত ধুম? ইলিশ নাচে!        কই নাচে! নাচে চারা পনা,     আজকে নাকি বিয়ে করবে  মাগুর মাছের ছানা।

ছড়া:- তেপান্তরের সাপুড়ে।

 ছড়া:- তেপান্তরের সাপুড়ে। লেখক:- সোহন ঘোষ।           ( Sohan Ghosh ) এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 25 August 2025 এক যে ছিল সাপুড়ে, খেলা দেখাত দুপুরে। পুকুর পাড়ে বসত, কত সাপ আনত। সাপে ভরা ঝুলি নিয়ে, তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, দেখাতে আসত খেলা, নির্জন দুপুর বেলা। ডুগডুগি বাজিয়ে, কাঁধে ঝুলি নিয়ে— হেঁটে আসতো সাপুড়ে, ডেকে উঠত হাঁক ছেড়ে— ‘দেখবি যদি সাপের খেলা, চলে আয় রে এই বেলা! কী সাপ আছে এই ঝুলিটায়, দেখবি যদি‌ জলদি আয়।’ খেলার শেষে সাপুড়ে, গুছিয়ে নিয়ে ঝুলি, হেঁটে যেত পিচের পথ ধরে, হাওয়ায় উড়িয়ে ধুলি।                  SOHAN GHOSH        Sohanghoshpoetry 

কবিতা: প্রেমপত্র।

       কবিতা: প্রেমপত্র।            লেখক: সোহন ঘোষ।              ( Sohan Ghosh ) এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 22 August 2025. কি করে ধরিব প্রাণ, তোমারে বিরহে এই ধরাধাম। তোমাকে ছাড়া কাটে না সময়; তোমার অভাবে এ জীবন দুঃখময়। ঘুমোতে গেলেই তোমার কথা, হাসি ভরা মুখ আর মধুর চেহারা, আমার দু'নয়নে ভাসে অবিরত— তোমার, আমার ভালোবাসা চিরকাল অক্ষত। তোমার প্রতীক্ষায় আছি বসে, তোমার সেই গোলাপ গাছের পাশে। বুকের মাঝে জমে আছে কত অব্যক্ত ভাষা; আসবে যেদিন, বলবো সেসব কথা। তোমার অপেক্ষায় রইলাম বসে, পাঠিয়ে এই চিঠিখানা। ইতি— তোমার ভালোবাসা।

কবিতা:- পবিত্রতার মুখোশ।

কবিতা:- পবিত্রতার মুখোশ। লেখক:- সোহন ঘোষ।          ( Sohan Ghosh ) এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 21 August 2025. যে রাখলো তাকে গর্ভে, সেই মাকে কেমন করে রাখে বৃদ্ধাশ্রমে? যে পিতা তুলে দিল তার মুখে অন্ন, সেই পিতাকে বাড়িতে রাখতে — হচ্ছে কি তার ভীষণ কষ্ট, যে রাখতে হল বৃদ্ধাশ্রমে? সকালে তুমি দাও ভাষণ, নারীকে নিয়ে সকলের সামনে; রাতে সেই নারীর উপর অত্যাচার করো কেমনে? লক্ষ্মী হয়ে জন্মেছে যে নারী বাবার ঘরে, তার ওপর অত্যাচার করে, মা লক্ষ্মীর আরাধনা করলে — সমস্ত পাপ মুছে ফেলা যাবে? লোকের কাছে করো জাহির নিজের আদর্শ চরিত্রটার; তুমি ভাবছো — বোকা সবাই, রয়েছে যারা এই বিশ্ব-মাঝার। দুঃখ-কষ্ট এলে, ঠাকুরকে করো দোষী; ঠাকুরের কাছে গিয়ে বলে — “আমার কি অপরাধ? বলো আজই! অপরাধ করিনি আমি আজ পর্যন্ত একটাও; তাহলে বলো তুমি আজ, আমায় কেন শুধু দুঃখ দাও?” তাকে কি বলা চলে মানুষ, না অন্য কিছু? অপরাধ করেও ভাবে — “আমি তো পবিত্র, করিনি কিছু!”  

ছড়া:- কাসির কাজের বাজনা।

 ছড়া:- কাসির কাজের বাজনা। লেখক:- সোহন ঘোষ। Writer:- Sohan Ghosh  এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 20 August 2025. আমার নাম কাসি, আমি খেতে ভালবাসি! খাই-দাই,   বাজনা বাজাই। ফেটে গেল বাজনা,   কাজ আর জোটে না। কি করব,   ভেবে না পাই। পথ ভুলে   কোন দিকে যাই। আমার একটা   কাজ চাই। কাজ দেবে   কি তুমি ভাই? কেউ দেয় না কাজ,   তাড়াই পুকুরের মাছ। মাঝে মা ঝে আমি   উনুনে খই ভাজি।

ছড়া : টিয়ের বিয়েতে পেঁচা

ছড়া : টিয়ের বিয়েতে পেঁচা ✍️ লেখক : সোহন ঘোষ।                    (Sohan Ghosh)  প্রথম প্রকাশ : 19 August 2025 --- ও ভাই পেঁচা, যাচ্ছ কোথায় একা, এই সন্ধ্যে বেলা, না করে পড়া! বিয়ে করবে টিয়ে, দেখতে যাচ্ছি বিয়ে! যাবে আমার সাথে পদ্মদীঘির ঘাটে? বিয়ে বাড়ির মজার ভজন, আমাদের সবার নিমন্ত্রণ। ইলিশ, মাগুর, কই, গজা, মিষ্টি, দই— যা চাইবে খেতে, সবই আসবে পাতে! চাঁদের আলোতে, নদীর পাড়ে বসে, টিয়ে করবে বিয়ে সিঁদুর পড়িয়ে। এসেছে ড্যান্সার ভাইয়া, আজ হবে প্রচুর মজা! তাই উপহার নিয়ে, ডানায় ভর দিয়ে, দেখতে যাচ্ছি বিয়ে পদ্মদীঘির ঘাটে।  

ছড়া:- কালো মেঘে।

      ছড়া:- কালো মেঘে।       লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 18 August 2025. কালো হয় চারিধার,        আলো যায় ঘুচে! মেঘ ঢেকেছে আকাশ,          যত নীল মুছে। কালো মেঘে,           সাদা বক পেখম মেলেছে। মেঘ দেখে,          পাখিগণ ছুটোছুটি করছে। লাইটের ঝলকানিতে,        মেঘ গুড় গুড় করে। আষাঢ়ের শেষে,       এই মেঘ কত ঝড় তোলে। রাখাল ছেলে বাঁশি হাতে,       গরু নিয়ে গোয়ালে ফেরে। চাষার ছেলে লাঙ্গল কাঁধে,      মেঘ দেখে ঘরে ফেরে।

ছড়া:- ময়না পাখির বিয়ে।

         ছড়া:- ময়না পাখির বিয়ে।       লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 17 August 2025 --- সূর্য উঠেছে, ফুল ফুটেছে। ময়না পাখির বিয়ে, নাচছে তাই টিয়ে। ময়না পাখির বিয়ে, ‌‌ পাশের গ্ৰামে। বনের পশু-পাখি যাবে বরযাত্রী। গলায় মালা দিয়ে, মাথায় টোপর পরে, করতে যাবে বিয়ে বাঘের পিঠে চড়ে। ময়নার শ্বশুরবাড়ি গেলে মজার ভোজন হবে, তাইতো সবাই মিলে ময়নার শ্বশুরবাড়ি যাবে। গজা, মিষ্টি, দই, ইলিশ, মাগুর, কই— যা চাইবে খেতে, সবই আসবে পাতে। চেটেপুটে, পরিষ্কার করে খেও, নষ্ট করো না কেউ। যা খাবে, তাই  নেবে, বেশি নিলে সিংহ রেগে যাবে।

ছড়া:- মামার বিয়ে।

      ছড়া:- মামার বিয়ে।     লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 16 August 2025. ওরে ও খোকা, যাচ্ছ কোথায় একা? তবে শুনো, টিয়ে, আজ মামার বিয়ে! যাচ্ছি ফুল তুলতে, মালা দেবো গেঁথে। আসবে, মনে করে, রূপকথার নগরে। মামার হবে সেখানে— বিয়ে মামির সনে। তখন বলল, টিয়ে, দেখতে যাবো বিয়ে। ডানাই ভর দিয়ে, ময়নাকে সঙ্গে নিয়ে।

গান:- কৈলাসের দেব মহাদেব

গান:- কৈলাসের দেব মহাদেব।         লেখক:-সোহন ঘোষ। এই গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 15 August 2025. দেবাদিদেব মহাদেব। তুমি বাবা কৈলাসের দেব। ত্রিশূল হাতে রুদ্ররূপে, ভক্তের সনে আছো স্নেহরূপে। জয় বাবা মৃতুজ্ঞয়, জটায় আছে বাবার মাথায়।  গলায় সাপ, রুদ্রাক্ষের মালা  বাবার রূপের কি মহিমা! নীলকন্ঠ, গঙ্গাধর। বাবা তুমি শক্তিধর। চাও যদি বাবা তুমি, বিশ্বজয় করতে পারি আমি। জয় বাবা মৃতুজ্ঞয়, জটায় আছে বাবার মাথায়।  গলায় সাপ, রুদ্রাক্ষের মালা  বাবার রূপের কি মহিমা!। দেবাদিদেব মহাদেব। তুমি বাবা কৈলাসের দেব। ত্রিশূল হাতে রুদ্ররূপে, ভক্তের সনে আছো স্নেহরূপে। জয় বাবা মৃতুজ্ঞয়, জটায় আছে বাবার মাথায়।  গলায় সাপ, রুদ্রাক্ষের মালা  বাবার রূপের কি মহিমা!। নীলকন্ঠ, গঙ্গাধর। বাবা তুমি শক্তিধর। চাও যদি বাবা তুমি, বিশ্বজয় করতে পারি আমি। লেখকের নোট “কৈলাসেরদেব মহাদেব” গানটির সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই গানটি কোনোভাবে সুরারোপ, পরিবেশন বা প্রকাশ করা যাবে না। ভবিষ্যতে অনুমোদিত সুরকার গানটির সুর দেওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনে সামান্য...

ছড়া:- খোকার মামার বাড়ি

 ছড়া:- খোকার মামার বাড়ি।  লেখক:- সোহন ঘোষ আয় খোকা,  আয় রে। তোকে নিয়ে যাব আমি  মামার বাড়িতে। মামার বাড়িতে আছে দাদু-দিদা, দেখবি, তোর হবে ভীষণ মজা। কিনে দেবে খেলনা,  করবি যা বায়না। গজা, মিষ্টি, দই — ইলিশ, মাগুর, কই। যা চাইবি খেতে,  এনে দেবে কিনে। যদি যেতে চাস মামার বাড়ি, বাড়ি আয় তাড়াতাড়ি। আমি, তুমি আর তোমার বাবা,  যাব মামার বাড়ি এই বেলা।

শেষ আছে বলেই, জীবন সুন্দর

 কবিতা:- শেষ আছে বলেই, জীবন সুন্দর।  লেখক:- সোহন ঘোষ। এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 12 August 2025 । “ আচ্ছা বাবা যদি এমন হত। জাদু করে অমরত্বের ওষুধ পাওয়া যেত, তাহলে শিখতাম আমি সেই জাদু। তাহলে মারা যেত না আমার দাদু। কি ভালই হত, যদি জীবনে মৃত্যু না আসত।” বাবা মৃদু হেসে বলল, “দাঁড়াও তোমায় বলি একটা গল্প। এক যে ছিল রাজা, তার ভীষণ ক্ষমতা। সেদিন আয়নার সামনে গিয়ে, দেখল রাজা তার মাথায় কয়েকটা সাদা চুল হয়েছে। রাজা প্রচণ্ড পেল ভয়। বয়স হয়েছে তার নিশ্চয়। ভাবিল রাজা মনে,মনে ‘এবার কি তাকেও চলে যেতে হবে এই পৃথিবী ছেড়ে।’ রাজা তার মন্ত্রীকে,     বলল ডেকে। ‘বলো তো মন্ত্রী, অমর কিভাবে হবো আমি।’ মন্ত্রী বলেন হেসে মহারাজ, ‘কি হয়েছে আপনার আজ। জন্ম নিলেই মরতে হবে, অমর কেউ কি হয়েছে পৃথিবীতে।’ রাজা ভীষণ রেগে গিয়ে, মন্ত্রীকে কারাগারে বন্দী করে। বেরিয়ে পড়ল রাজা অমরত্বের সন্ধানে। অবশেষে রাজা পেল অমরত্বের ঠিকানা। অমর হতে গেলে যেতে হবে রূপকথার দেশে। জাদুর একটা আপেল গাছ আছে  সেই দেশে, অমর হওয়া যায় সেই গাছের আপেল খেলে। দশ বছরে একটাই ফল ফোটে ওই আপেল গাছে। তাই, তেপান্তরের মা...

ছড়া:- ওরে খুকু, বাড়ি আয়।

        ছড়া:- ওরে খুকু, বাড়ি আয়।          লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়া প্রথম প্রকাশিত হয়:- 11 August 2025 ওরে খুকু, কোথায় গেলি? বাড়ি আয় তাড়াতাড়ি। মেঘ করেছে আকাশ কালি, বৃষ্টি নামবে এখুনি! জামা-কাপড় আছে মেলা, তুলে ফেল রে এই বেলা। জানালাগুলো বন্ধ করে, চুপটি করে বস ঘরে।

ছড়া:- অব্যক্ত ভালোবাসা।

         ছড়া:- অব্যক্ত ভালোবাসা।           লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 10 August 2025 । ও ময়না, ও ময়না —  তুমি আমার সাথে কথা কেন কও না?  তুমি কি বাংলা ভাষা জানো না? বাংলা ভাষা শিখতে চাও?  এসো, এসো—ভয় কেন পাও?  লাগবে না কোনো টাকা-পয়সা,  শুধু চাই একটু ভালোবাসা। বাংলা ভাষা — মধুর ভাষা,  এ যে আমাদের মাতৃভাষা। শেখো যদি এ ভাষা,  তবে বুঝবে — এই ভাষায় আছে কত অব্যক্ত ভালোবাসা!

বাবা আছে বলেই, জীবন সুন্দর

 কবিতা:- বাবা,আছে বলেই, জীবন সুন্দর। লেখক:- সোহন ঘোষ‌। এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 9 August 2025 পরিবারের আশা,      পরিবারের ভরসা। পরিবারের বিশ্বাস,      পরিবারের সাহস। পরিবারের শক্তি—      বাবা হন যিনি। সূর্যের মতো আলো তার, না থাকলে জীবন অন্ধকার। যেদিন থাকবে না তোমার বাবা, বুঝবে সে ব্যথা—না থাকার জ্বালা। তখন বুঝবে বাবার মূল্য— হিরে-রত্নর সমতুল্য। রোদ–তুষার–বৃষ্টি, এই পৃথিবীর যত সৃষ্টি, আসতে দেয় না মাথায়, ছাদ হয়ে সব আটকায়। বাবা চলে গেলে, আর পাবে না ফিরে। তাই বলি—আছে যতদিন বাবা, মন দিয়ে কর তারই সেবা। বাবা আমার সব, বাবা ছাড়া এই পৃথিবী নীরব।

ছড়া:- আষাঢ়ের বর্ষায়।

 ছড়া:- আষাঢ়ের বর্ষায়।            লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 8 August 2025 । মেঘ করেছে আকাশ কালো, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি এলো। ওরে খুকু, কোথায় গেলি? জানালাগুলো বন্ধ করলি? আজকে রাতে করব খিচুড়ি, এই বেলা খেয়ে নে মুড়ি। আষাঢ়ের এই বৃষ্টিতে, মন চায় খিচুড়ি খেতে! তাইতো খিচুড়ি হবে আজ, সঙ্গে থাকবে ইলিশ মাছ। এই বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে, কার লাগে না মজা? সঙ্গে যদি থাকে, ইলিশ মাছ ভাজা। যদি খেতে চাও খিচুড়ি, এখানে এসো এখুনি। চাই না কোনো টাকা-পয়সা, শুধু চাই একটু ভালোবাসা।

ছড়া:- আজকের এই খুশির দিনে।

  ছড়া:- আজকের এই খুশির দিনে।           লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 7 August 2025. আজ হলো রবিবার, নেই কোনো কাজের ভার। করবো আনন্দ প্রাণভরে — কি করে বোঝাবো তোরে! কি আনন্দ জাগে মনে, আজকের এই ছুটির দিনে। নাচবো, গাইবো, খেলবো একসাথে, মজা করবো প্রচুর — আজকের দিনটাতে। আজকের এই খুশির দিনে, প্রকৃতি সেজেছে নতুন রঙে। আয় রে, আয় — ঘর ছেড়ে একটু বেরিয়ে আয়। একসাথে চলো মাঠে যাই, আজ খেলায় কোনো বাধা নাই! আজ আমাদের ছুটি রে, গাইবো আমরা বাংলা সংগীতে রে। কি জাদু আছে বাংলা সংগীতে, গাইলে মন-প্রাণ ভরে উঠে। আজকের এই ছুটির বেলায়, মনটা চায় উড়তে হাওয়ায়। খেলি যদি সবাই মিলে, হাসি-আনন্দে কাটবে দিন তাহলে। আজকের এই ছুটির দিনে, কি আনন্দ হচ্ছে মনে — কি করে বুঝাবো তোরে!

গান:- কি করে চলে গেলে ওগো প্রিয়তমা।

 গান:- কি করে চলে গেলে ওগো প্রিয়তমা।           লেখক:- সোহন ঘোষ।         প্রকাশিত হয়:- 6 August 2025. এত দিনের ভালোবাসা      সব ভুলিয়া, কি করে চলে গেলে,    ওগো প্রিয়তমা? জাগিয়ে ছিলে এ মনে,   কত ভালোবাসা, স্বপ্ন রঙিন এক আশা। ভাঙলে সেই স্বপ্ন, দিলে হৃদয়ে কাঁটা, কি করে ভুলে গেলে পুরনো দিনের সেই কথা।    জাগিয়ে ছিলে এ মনে,   কত ভালোবাসা,  স্বপ্ন রঙিন এক আশা। কি করে চলে গেলে,   বুকে ব্যাথা দিয়া।  কি করে চলে গেলে ওগো প্রিয়তমা।  বলেছিলে, আমায় তুমি ভালোবাসবো, চিরদিন একসাথে পথ চলবো। বাধা যদি আসে এ জীবনে,  হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাব দুজনে, হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাব দুজনে।  বলেছিলে, আমায় তুমি ভালোবাসবো।  চিরদিন একসাথে পথ চলবো। বাধা যদি আসে এ জীবনে,  হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাব দুজনে, হাতে হাত রেখে এগিয়ে যাব দুজনে।  পর করে আমাকে,  কাঁদিয়ে তুমি চলে গেলে! একবারও মনে পড়লো না,  আমার কথা..... ওগো প্রিয়তমা, ও প্রিয়তমা, একবারও মনে পড়লো না আমার কথা? ...

ছড়া:- হাবু ও ডাক্তারবাবু।

      ছড়া:- হাবু ও ডাক্তারবাবু।       লেখক:- সোহন ঘোষ। এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 5 August 2025. বিকেল থেকে হাবু, পেটের যন্ত্রনায় বেজায় কাবু! তাই গেলেন ডাক্তারখানা – বললেন, “ডাক্তার বাবু, কিছু করে সারান পেটের যন্ত্রণা! বাঁচান আমায়, ডাক্তার বাবু” “আজ-কাল কি খেয়েছিলে, তা বলো দেখি, হাবু?” “নেমন্তন্ন করেছিল কালকে – আমাদের পাড়ার ভজা দাদু! খেয়েছিলাম সেখানে – ভাত-ডাল, দই-মিষ্টি-গজা! খেতে লাগছিল কালকে ভীষণ মজা!” “আজ সকালে বৃষ্টি হচ্ছিল রিমঝিম, তাই খেয়েছিলাম খিচুড়ি আর কালকের ভাজা ডিম।” শুনে ডাক্তার বললেন ভেবে, “তোমার চোখ দেখি আগে, তারপর হবে পেটে!” শুনে হাবু বেজায় কাবু, বলল করুন সুরে, “যন্ত্রণা হচ্ছে আমার পেটে – তাহলে ডাক্তার, চোখ দেখো কেমনে?” বললেন ডাক্তার রেগে, “কালকের ভাজা ডিম দেখেও কেমন করে তুমি খেলে – সেটা বলো দেখি আগে!” “যদি চাও সুস্থ থাকতে, খাবার খাও বিবেচনা করে। ভাত-ডাল, দই-মিষ্টি-গজা – যতই খেতে লাগুক মজা! খাওয়া যাবে না বেশি বেশি, খেলে হবে শরীরের ক্ষতি।”

আজও, তোমার অপেক্ষায়।

      কবিতা:- আজও, তোমার অপেক্ষায়।    লেখক:- সোহন ঘোষ। তোমার অপেক্ষায়, আজও দাঁড়িয়ে আছি আমি সেই রাস্তায়। দিন চলে যায় এক এক করে, ঋতু চলে যায় কালের নিয়মে। আষাঢ় আসে, আষাঢ় যায়, তবু তোমার দেখা মেলে না হায়। সেদিন সেই মেঘলা আকাশের কালো রং দেখে বারণ করেছিলাম তোমায় আমি, কিন্তু আমার বারণ শুনলে না তুমি। বেরিয়ে গেলে জাল হাতে, নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে নদীতে। বলেছিলে — “মাছ বিক্রি করে লাল শাড়ি দেবো কিনে,   তোমার জন্মদিনে।” ওগো, চাই না আমার লাল শাড়ি,   তুমি ফিরে এসো আজই। তোমায় ছাড়া কাটে না মুহূর্ত —   ওগো, তুমি ফিরে এসো।

ছড়া:- কলকাতা যাবে বাঘ, সিংহ

ছড়া:- কলকাতা যাবে বাঘ, সিংহ। লেখক:- সোহন ঘোষ। চশমা পড়ে বাঘ মামা, যাবে এবার কলকাতা। তাই তো পড়েছে প্যান্ট-জামা, পায়ে কালো জুতা। কলকাতা যাবে বেড়াতে, মোটরবাইক নিয়ে। সিংহ যাবে বাঘের সঙ্গে— কলকাতা দেখতে। ঘরে বসে সিংহ মামা, করছে পরিকল্পনা। প্রথমে কোথায় যাবে তারা, সেই নিয়েই মাথাব্যথা। এমন সময় হাজির হল এক খুদে ইঁদুর ছানা। অঙ্ক কষে বলে দিল— "প্রথম গন্তব্য চন্দ্রহাসনা!" গ্রামের নাম চন্দ্রহাসনা, প্রতি সপ্তাহে হয় নাচা-গানা। হবে তোমাদের  ভীষণ মজা, তারপর যেও কলকাতা!