পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বোলতা কহে, বোলতানি।

বোলতা কহে, বোলতানি।  লেখক:– সোহন ঘোষ। রচনাকাল:– ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।  ২৯ পৌষ ১৪৩২। বোলতা কহে, বোলতানি।         খাসা তোর গুনগুনানি। শুনলে তোর গান,          ভরে ওঠে মন-প্রাণ। রাত হোক বা ভোর,          শুনতে গান তোর। ছুটে আসবে সবাই–           দিল্লি হোক বা মুম্বাই। এমন সুর পাবে কোথায়!         ছত্রিশ রাগিনী তোর গলায়। আয়রে বাঘ–              নিয়ে ঢাক আয়রে হেঁটে আয়।                 আয়রে বানর– নিয়ে কাঁসর             আয়রে হেথা আয়। আয়রে শিয়াল,        আয়রে বিড়াল, আয়রে পেঁচা-প্যাঁচানি,         গাছের তলায় এখুনি! গান গাইবে বোলতানি।

আয়রে আয়।

         আয়রে আয়।          সোহন ঘোষ। রচনাকাল:– ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।               ২৮ পৌষ ১৪৩২। আয়রে বাদল,            বাজিয়ে মাদল! আয়রে হেথা আয়।                 আয়রে বেহারা, বাজিয়ে সেতারা!          আয়রে হেথা আয়।    আয়রে কানাই,          বাজিয়ে সানাই! আয়রে হেথা আয়।                আয়রে মীনা, বাজিয়ে বীণা!          আয়রে হেথা আয়।  ‌ আয়রে কাশি,          বাজিয়ে বাঁশি ! আয়রে হেথা আয়।              আয়রে অলোক, বাজিয়ে ঢোলক!          আয়রে হেথা আয়।      আয়রে ভোলা,           বাজিয়ে তবলা! আয়রে হেথা আয়।       আয়রে কালা,     ...
 গ্রামের বটগাছের তলায় দুরন্ত ছেলেরা গালে হাত দিয়ে চিন্তা করছে এমন সময় বালকদিগের সর্দার নিত্যানন্দ রায়ের মাথায় একটা ভাবনা উদয় হল। ‘ভূত চতুর্দশী রাতে একটা মাটির হাঁড়িতে সাদা রং করার পর সেই হাড়িতে দুখানা বড় বড় কালো চোখ এঁকে, গ্রামের যে রাস্তা দিয়ে প্রতিবছর লোকেরা ঘোষ বাড়ির এই কালী পুজো দেখতে আসবে সেই রাস্তার কোন একটা গাছে দড়ি দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে দেয়া হবে।’ সন্ধ্যেবেলা কিংবা রাতের বেলা যে ব্যক্তি ওই পথ ধরে এই গ্রামে আসার সময় ওই হাড়িটা দেখতে পেলে সে যে কতটা ভয় পাবে সেটা উপলব্ধি করে দলের সবাই এই প্রস্তাবে রাজি হলো। দলের একজন কি যেন বলতে যাচ্ছিল এমন সময় দূর থেকে ফটিকের গলা শোনা গেল। ফটিক এই দলেরই একজন। যার ভালো নাম গণেশ দাস। পাড়ার সবাই ওকে ফটিক নামেই ডাকে। ফটিক দলের কাছে এসে হাঁপাতে লাগলো। দলের সবাই তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো। তখন ফটিক সবার অস্বস্তিভাব কাটানোর জন্য হাঁপাতে হাঁপাতে বলল ‘ঘোষবাড়ির নৃতেন্দ্র জেঠু আমাদের বন্ধু কালু কিনে নিয়ে যাচ্ছে, আজ পাঁঠা বলি দেবে বলে। তখন দলের একজন ছেলে বলে ‘বলিস কি রে? ওটা তো তোদের ছাগল তুই বিক্রি করলি কেন?’ ফটিক কিছু বলতে যাব...