পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজকের এই ফাল্গুনে।

 কবিতা:– আজকের এই ফাল্গুনে।  লেখক:– সোহন ঘোষ।           ( Sohan Ghosh ) প্রকাশকাল:– 29 September 2025.    যা নেওয়ার —    নিয়ে নাও। যা চাওয়ার —    চেয়ে নাও। যা জানার —    জেনে নাও। যা দেখার —    দেখে নাও। যা বলার —    বলে নাও। জীবনের এই মাঝরাতে,    হাতে হাত রেখে, এগিয়ে যায় চলো          খুঁজে নিয়ে আলো। যেখানেই থাকো, এসো ছুটে   সেই পুরনো দিঘির ঘাটে। আজকের এই ফাল্গুনে,   খোলা আকাশের নিচে বসে, একে অপরকে ভালবেসে   ভরিয়ে দেবো রাত—গানে গানে। একবার নিলে বিদায়,   খুঁজে পাবে না আমায়। তাই বলি— এসো ছুটে   সেই পুরনো দিঘির ঘাটে। উপহার দিয়ে তোমায়   ভরিয়ে তুলবো ভালবাসায়। তাই নিয়ে তুমি—   করো আমায় ঋণী। আজকের এই ফাল্গুনে,        পৃথিবীর এই নিঝুম রাতে হাতে হাত রেখে     ভরিয়ে তুলবো রাত– গানে গানে। ( sohanghoshpoetry & SOHANGHOSHPOETRY ) ‌               

ছড়া:– ময়না ও টিয়ের বিয়ে।

 ছড়া:– ময়না ও টিয়ের বিয়ে। লেখক:– সোহন ঘোষ।                     ( Sohan Ghosh ) প্রকাশকাল:– 28 September 2025. ও পাড়ার ময়না,       নাম তার জানি না। এ পাড়ার টিয়া,       নাম তার রিয়া। আজকের এই ফাল্গুনে,      টোপর মাথায় দিয়ে, ময়না করবে বিয়ে,    টিয়া পাখির সনে।

ছড়া:– ও পাড়ার টিয়া।

ছড়া:– ও পাড়ার টিয়া। লেখক:– সোহন ঘোষ।         ( Sohan Ghosh ) প্রকাশকাল:– 25 September 2025 ও পাড়ার টিয়া,        নাম তার রিয়া। শোনে না কারোর নিষেধ–মানা,        চষে বেড়ায় সারা আকাশখানা। সারাদিন ঘুরে বেড়ায়,       উড়ে উড়ে গান গায়। করে না কোনো উৎপাত,       চুপ করে খায় দুধ–ভাত। কাঁচা লঙ্কা খায় চিবিয়ে,      ঘুমোয় আলো নিবিয়ে। বিড়াল, কুকুর কিংবা হস্তি—       সবার সাথেই তার দোসতি। ( sohanghoshpoetry & SOHANGHOSHPOETRY )  

ছড়া:- কমলা গ্রামের ভোলা।

ছড়া:- কমলা গ্রামের ভোলা।     লেখক:- সোহন ঘোষ। প্রকাশকাল:- 22 September 2025 আমার নাম ভোলা,         ডাকনাম হেলা, গ্রামের নাম কমলা,        থাকি আমি একলা। খাই-দাই,        বাজনা বাজাই। যখন যা পাই,        তা দিয়ে পেট চালাই। ফেটে গেল বাজনা,       কাজ খুঁজে আর পাই না। কি করবো ভেবে না পাই,      কাজ না পেয়ে ঘুরে বেড়াই। আমার একটা কাজ চাই,     কাজ দেবে কি তুমি ভাই? চণ্ডীপাঠ থেকে জুতো সেলাই—     করব আমি একাই। সকাল থেকে সন্ধ্যে,     কাজ করব মন দিয়ে।           Writer:– Sohan Ghosh 

Oh Bird

        Oh Bird Writer:– Sohan Ghosh First published:– 20 September 2025 Oh bird, can you talk with me? Oh bird, can you play with me? Come down from the sky so blue,   I have so many dreams for you!    ( Sohanghoshpoetry )      ( SOHAN GHOSH )

অবিরাম এক অনন্ত চক্রে

 কবিতা:- অবিরাম এক অনন্ত চক্রে। লেখক:- সোহন ঘোষ।           ( Sohan Ghosh ) এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 16 September 2025 ঘুরছে পৃথিবী, ঘুরছে ঘানি, ঘুরছে মাথা, ঘুরছে চাকা, ঘুরছে ঘড়ির কাঁটা। ঘুরছে মানুষ কাজের খোঁজে— সময়ের এই ঘূর্ণিপাকে। প্রকৃতির যত চক্র, চক্রাকারে ঘুরছে অবিরত। গোলকধাঁধার ভেতরে পড়ে, ঘুরছে জীবন, ঘুরছে সময়, ঘুরছে সবকিছু— অবিরাম এক অনন্ত চক্রে।       ( SOHANGHOSHPOETRY )

ছড়া:- চৈত্র মাসের দুপুরে

 ছড়া:- চৈত্র মাসের দুপুরে।  লেখক:- সোহন ঘোষ।          ( Sohan Ghosh ) এই ছড়াতে প্রথম প্রকাশিত হয়:- 14 September 2025 ।  চৈত্র মাসের দুপুরে       বসে ছাদের উপরে গান গায় টিয়ে,      ময়নাকে সঙ্গে নিয়ে। গান শুনে খোকা নাচে      ‌ দুটি বাহু তুলে। খোকার এই নাচ দেখে        খুকুমণি নাচে!          ( SOHAN  GHOSH )

ছড়া:- হাবুর শ্যালক।

  ছড়া:- হাবুর শ্যালক।   লেখক:- সোহন ঘোষ। ​             Sohan Ghosh  এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:-  10 September 2025. চোখ খুলে, দেখো হাবু, আমি তোমার শালাবাবু। এলাম কি করে— তা বলবো পরে। পেয়েছে ভীষণ খিদে, খেতে দাও আগে। ঘরে আছে যত খাবার— তাই দিয়েই করি আহার।   তুমি বাপু যাও বাজারে, দই–গজা, মুড়কি–চিঁড়ে, মাছ–মাংসও থলি ভরে। ঝটপট আসবে নিয়ে‌, খাব আজ পেট পুরে— হাতের কব্জি ডুবিয়ে। সঙ্গে যদি না থাকে মাছ ভাজা, খেতে লাগে না মজা। তাই পটল, বেগুন আর শিম ভাজা, না পেলে দেবো তোমায় ভীষণ সাজা। তারপর এসো নিয়ে গোবিন্দভোগ চাল, সঙ্গে যেন থাকে মাংস আর মুগের ডাল। আর চাই ঝিঙে–আলু–পোস্ত, যেটা বাবা খেতে ভালোবাসতো। সবার শেষে দেবে দই, মিষ্টি, চাটুনি। খেয়ে বলব, ভেবে— তুমি কেমন রাঁধুনি?           SOHAN GHOSH

ছড়া:- ময়ূর-ময়ূরীর বিয়ে।

 ছড়া:- ময়ূর-ময়ূরীর বিয়ে। লেখক:- সোহন ঘোষ।          ( Sohan Ghosh ) এই ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়:- 4 SEPTEMBER 2025. ডুমাডুম, ডুমাডুম, বাজনা বাজে। ময়ূরের মাসি, পেখম তুলে নাচে। ময়ূরের বিয়ে হবে আজ চাঁদনী রাতে, পাশের গ্রামের ময়ূরীর সাথে। ময়ূর করতে যাবে আজ বিয়ে, বনের পাখিদের সঙ্গে নিয়ে। রজনীগন্ধার মালা পড়ে, ময়ূর ময়ূরীকে করবে বিয়ে। চাঁদের আলো সাক্ষী রেখে, নদীর ধারের ওই কদমতলাতে।          ( SOHAN GHOSH )